মুসলিম আইনে উত্তরাধিকার সুত্রে সম্পত্তি বণ্টন

CWFS-Inheritanceমুসলিম আইনে কোন ব্যক্তির মৃত্যুর পর যদি তার সম্পত্তি থেকে থাকে, অর্থাৎ সম্পত্তি রেখে মারা যান, তবে ঐ সম্পত্তি তার উত্তরাধিকারদের মধ্যে মুসলিম উত্তরাধিকার আইন (ফারায়েজ) অনুসারে বণ্টন করা হয়ে থাকে। একে কোরানিক আইনও বলা হয়ে থাকে। এই ফারায়েজ আইন অনুসারে সম্পত্তিকে দুই ক্যাটাগরিতে ভাগ করা হয়, প্রথমত শেয়ারার এবং পরবর্তীতে সম্পত্তি অবশিষ্ট থাকলে তা রেসিডুয়ারী বা আসাবার প্রার্থীদের মধ্যে বণ্টন করা হবে। নিম্নে খুবই সংক্ষিপ্ত আকারে মুসলিম আইনে সম্পত্তি বণ্টন প্রক্রিয়া বর্ণিত করা হইল।

প্রথমত ১২ জনকে অংশীদার বা শেয়ারার হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে। এরা হলেন মৃত ব্যক্তির স্বামী, স্ত্রী, বাবা, মা, দাদা, দাদী, বোন, কন্যা, পুত্রের কন্যা, বৈমাত্রেয় বোন, বৈপিত্রেয় ভাই এবং বৈপিত্রেয় বোন। নিম্নে তাদের প্রত্যেকের সম্পত্তির পরিমাণ এবং কোন কোন অবস্থায় পাবেন তা ব্যতিক্রম সহকারে উল্লেখ্যঃ

১। স্বামীঃ যখন কোন বিবাহিত স্ত্রীলোক মারা যাবেন এবং তার কোন সন্তান থাকবে না কিংবা তার ছেলের কোন সন্তান থাকবে না তখন ঐ স্ত্রীলোকের স্বামী মোট সম্পত্তির ১/২ অংশ পাবেন। কিন্তু, যখন তার কোন সন্তান থাকবে কিংবা তার ছেলের কোন সন্তান থাকবে তখন স্বামী ১/৪ অংশ পাবে।

২। স্ত্রীঃ যখন কোন বিবাহিত পুরুষ মারা যাবেন এবং তার কোন সন্তান থাকবে না কিংবা তার ছেলের কোন সন্তান থাকবে না তখন ঐ লোকের স্ত্রী মোট সম্পত্তির ১/৪ অংশ পাবেন। কিন্তু, যখন কোন সন্তান থাকবে কিংবা ছেলের কোন সন্তান থাকবে তখন স্ত্রী ১/৮ অংশ পাবে। যদি ঐ লোকের একাধিক স্ত্রী থাকে, তখন তারা এক স্ত্রীর ন্যায় সম্পত্তি পাবে এবং তা নিজেদের মধ্যে সমান ভাগ করে নিবে। অর্থাৎ, এক স্ত্রী হলে যে সম্পত্তি পাওয়ার কথা একাধিক স্ত্রী হলেও তারা একই পরিমাণ সম্পত্তি পাবে এবং পরবর্তীতে ঐ সম্পত্তি তাদের নিজেদের মধ্যে সমান ভাগ হবে। যেমন, যদি মৃত ব্যক্তির সন্তান থাকে তখন তার স্ত্রী ১/৮ অংশ পাবে; এখন তার দুই জন স্ত্রী হলে তারাও ১/৮ অংশ সম্পত্তি পাবে এবং তা নিজেদের মধ্যে সমান ভাগে ভাগ করে নিবে। অর্থাৎ ১/৮ কে দুই ভাগ করলে দাঁড়ায় ১/১৬, প্রত্যেক স্ত্রী ১/১৬ অংশ করে পাবেন।

৩। পিতাঃ যখন মৃত ব্যক্তির কোন সন্তান থাকবে কিংবা মৃত ব্যক্তির ছেলের কোন সন্তান থাকবে, তখন মৃত ব্যক্তির পিতা মোট সম্পত্তির ১/৬ অংশ পাবেন। আবার, যখন মৃত ব্যক্তির কোন ছেলে থাকবে না কিংবা মৃত ব্যক্তির ছেলেরও কোন ছেলে থাকবে না, কিন্তু মৃত ব্যক্তির এক বা একাধিক মেয়ে থাকবে বা এক বা একাধিক ছেলের মেয়ে থাকবে, তখন মৃত ব্যক্তির পিতা শেয়ারার হিসেবে ১/৬ এবং আসাবা বা রেসিডুয়ারি হিসেবেও সম্পত্তি পাবেন যদি থাকে। কিন্তু, যখন মৃত ব্যক্তির কোন সন্তান থাকবে না কিংবা মৃত ব্যক্তির ছেলেরও কোন সন্তান থাকবে না, তখন মৃত ব্যক্তির পিতা কেবল আসাবা সম্পত্তি পাবেন।

৪। দাদাঃ যখন মৃত ব্যক্তির পিতা জীবিত থাকবে না, তখন মৃত ব্যক্তির দাদা মৃত ব্যক্তির পিতার ন্যায় সম্পত্তি পাবেন। মনে রাখতে হবে, মৃত ব্যক্তির পিতা জীবিত অবস্থায় দাদা কোন মতেই সম্পত্তি পাবেন না।

৫। মাঃ যখন মৃত ব্যক্তির সন্তান বা মৃত ব্যক্তির পুত্রের সন্তান থাকবে বা মৃত ব্যক্তির দুই বা ততোধিক ভাই বোন থাকবে, তখন মৃত ব্যক্তির মা মোট সম্পত্তির ১/৬ অংশ পাবেন। কিন্তু, মৃত ব্যক্তির যখন কোন সন্তান থাকবে না কিংবা মৃত ব্যক্তির ছেলের কোন সন্তান থাকবে না বা ভাই বোনের সংখ্যা একের অধিক নয়, তখন মা ১/৩ অংশ পাবেন।

আবার, যখন মৃত ব্যক্তির পিতা এবং স্বামী বা স্ত্রী জীবিত তখন স্বামী বা স্ত্রীকে দেওয়ার পর বাকী সম্পত্তির ১/৩ পাবেন। অর্থাৎ, যখন মৃত ব্যক্তির পিতা এবং তার জীবন সঙ্গিনী(মহিলা হলে স্বামী/পুরুষ হলে স্ত্রী) জীবিত থাকে, তখন আগে জীবন সঙ্গিনীকে সম্পত্তি দিতে হবে এবং তাকে দেওয়া পর যেই সম্পত্তি থাকবে তার ১/৩ মাকে দেওয়া হবে। মনে রাখতে হবে যে, মোট সম্পত্তির ১/৩ অংশ নয়, স্বামী বা স্ত্রীকে দেওয়ার পর বাকী সম্পত্তির ১/৩ অংশ।

৬। দাদী/নানীঃ শেয়ারার হিসেবে মৃত ব্যক্তির দাদী মোট সম্পত্তির ১/৬ অংশ পাবেন; কিন্তু শর্ত হচ্ছে মৃত ব্যক্তির মা অবশ্যই মৃত হতে হবে। মা জীবিত থাকলে পাবেন না। আবার, যদি মৃত ব্যক্তির পিতা জীবিত থাকে অর্থাৎ সম্পত্তি পেয়ে থাকেন তবে সেক্ষেত্রে মৃত ব্যক্তির দাদী সম্পত্তি না পেয়ে মৃত ব্যক্তির নানী পাবেন।

৭। কন্যাঃ যখন মৃত ব্যক্তির কোন পুত্র থাকবে না তখন মৃত ব্যক্তির কন্যা একজন হলে মোট সম্পত্তির ১/২ অংশ পাবেন; এর যদি একাধিক হয় তবে মোট সম্পত্তির ২/৩ অংশ পাবে। একাধিক বোনের ক্ষেত্রে প্রাপ্ত ২/৩ প্রত্যেকে সমান ভাগ পাবে।

৮। পুত্রের কন্যাঃ যখন মৃত ব্যক্তির পুত্র, কন্যা এবং পুত্রের পুত্র থাকবে না, তখন পুত্রের কন্যা একজন হলে মোট সম্পত্তির ১/২ অংশ পাবেন; এর যদি একাধিক হয় তবে মোট সম্পত্তির ২/৩ অংশ পাবে। একাধিক পুত্রের কন্যার ক্ষেত্রে প্রাপ্ত ২/৩ প্রত্যেকে সমান ভাগ পাবে।

ব্যতিক্রমঃ যদি মৃত ব্যক্তির কেবল একমাত্র কন্যা থাকে, তবে পুত্রের কন্যা (২/৩-১/২) ১/৬ অংশ পাবে।

৯। আপন বোনঃ যখন মৃত ব্যক্তির পুত্র, কন্যা, পুত্রের পুত্র, পুত্রের কন্যা, আপন ভাই, পিতা কেউই থাকবে না, তখন আপন বোন শেয়ারার হিসেবে সম্পত্তি পাবে। আপন বোন একজন হলে মোট সম্পত্তির ১/২ অংশ পাবেন; এর যদি একাধিক হয় তবে মোট সম্পত্তির ২/৩ অংশ পাবে। একাধিক আপন বোনের ক্ষেত্রে প্রাপ্ত ২/৩ প্রত্যেকে সমান ভাগ পাবে।

১০। বৈমাত্রেয় বোনঃ যখন মৃত ব্যক্তির পুত্র, কন্যা, পুত্রের পুত্র, পুত্রের কন্যা, আপন ভাই, আপন বোন, বৈমাত্রেয় ভাই, পিতা কেউই থাকবে না, তখন বৈমাত্রেয় বোন একজন হলে মোট সম্পত্তির ১/২ অংশ পাবেন; এর যদি একাধিক হয় তবে মোট সম্পত্তির ২/৩ অংশ পাবে। একাধিক আপন বোনের ক্ষেত্রে প্রাপ্ত ২/৩ প্রত্যেকে সমান ভাগ পাবে।

ব্যতিক্রমঃ যদি কেবল একমাত্র আপন বোন থাকে, তবে বৈমাত্রেয় বোন (২/৩-১/২) ১/৬ অংশ পাবে।

১১। বৈপিত্রেয় ভাইঃ মৃত ব্যক্তির বৈপিত্রেয় ভাইও শেয়ারার হিসেবে সম্পত্তি পাবে এবং তার পরিমাণ ১/৬ অংশ। তবে কন্ডিশন হচ্ছে পিতা থেকে উপরে পূর্বপুরুষ কেউই থাকবে না এবং সন্তান থেকে উত্তরসূরি কেউই থাকবে না।

১২। বৈপিত্রেয় বোনঃ বৈপিত্রেয় বোন বৈপিত্রেয় ভাইয়ের ন্যায় সম্পত্তি পাবে। অর্থাৎ, ১/৬ অংশ এবং কন্ডিশন হচ্ছে পিতা থেকে উপরে পূর্বপুরুষ কেউই থাকবে না এবং সন্তান থেকে উত্তরসূরি কেউই থাকবে না।

একজন মৃত ব্যক্তির সম্পত্তি তার শেয়ারারদের মধ্যে বণ্টনের পর যে সম্পত্তি অবশিষ্ট থাকবে, তা তার আসাবা লিস্টে যারা রয়েছে তাদের মধ্যে বণ্টন করা হবে। নিম্নে আসাবা লিস্ট দেওয়া হলঃ

আসাবা লিস্টকেও বংশধরের ভিত্তিতে চারটি ক্যাটাগরিতে ভাগ করা হয়েছে।

১। নিজের বংশধরঃ পুত্র, পুত্রের পুত্র।

২। পূর্ববর্তী বংশধরঃ পিতা, দাদা।

৩। পিতার বংশধরঃ ভাই, বোন, বৈমাত্রেয় বোন, বৈমাত্রেয় ভাই, ভাইয়ের ছেলে, বৈমাত্রেয় ভাইয়ের ছেলে, বৈমাত্রেয় ভাইয়ের ছেলের ছেলে, ভাইয়ের ছেলের ছেলে।

৪। দাদার বংশধরঃ চাচা, বৈমাত্রেয় চাচা, চাচার ছেলে, বৈমাত্রেয় চাচার ছেলে, চাচার ছেলের ছেলে, বৈমাত্রেয় চাচার ছেলের ছেলে, আরো দূরবর্তী বংশধর।

উপরিউক্ত, আসাবা লিস্টের যেকোন একটি বংশধর সম্পত্তি পাবে। যদি নিজের বংশধরের কেউ বেঁচে থাকে তবে তারাই অবশিষ্ট বা আসাবা সম্পত্তি পাবে। যদি নিজের বংশধর বেঁচে না থাকে, তবে পূর্ববর্তী বংশধর সম্পত্তি পাবে। এই ভাবে উপর থেকে যেই বংশধর আগে থাকবে, তারাই মূলত আসাবা সম্পত্তি পাবে। এবং যত জন থাকবে তারা প্রত্যেকেই সমান ভাবে সম্পত্তি পাবে।

এই হচ্ছে, মুসলিমের সম্পত্তি বণ্টন প্রক্রিয়া এবং উত্তরাধিকাররাও উপরিউক্ত প্রক্রিয়ানুসারে উত্তরাধিকার অর্জন করবে। জেনে রাখা ভালো, কোন উত্তরাধিকারী সম্পত্তি থেকে বঞ্চিত হতে পারেন যদি তিনি যার কাছ থেকে সম্পত্তি পাবেন তাকে খুন করেন কিংবা ইসলাম ধর্ম ত্যাগ করেন।

পাঠকের বুঝার সুবিধার্থে উপরিউক্ত শেয়ার এবং আসাবার লিস্ট সমূহ নিম্নে চার্ট আকারে দেওয়া হলঃ

মৃত্যু ব্যক্তির সাথে সম্পর্ক শেয়ারের অংশ কন্ডিশন
স্বামী ১/২ যখন কোন সন্তান থাকবে না কিংবা ছেলের কোন সন্তান থাকবে না।
১/৪ যখন কোন সন্তান থাকবে কিংবা ছেলের কোন সন্তান থাকবে।
স্ত্রী(যদি স্ত্রী একের অধিক হয় তবে সকলে সমান ভাগ পাবে) ১/৪ যখন কোন সন্তান থাকবে না কিংবা ছেলের কোন সন্তান থাকবে না।
১/৮ যখন কোন সন্তান থাকবে কিংবা ছেলের কোন সন্তান থাকবে।
পিতা ১/৬ যখন কোন সন্তান থাকবে কিংবা ছেলের কোন সন্তান থাকবে।
১/৬ এবং রেসিডুয়ারী বা আসাবা যখন কোন ছেলে থাকবে না কিংবা ছেলের কোন ছেলে থাকবে না, কিন্তু এক বা একাধিক মেয়ে থাকবে বা এক বা একাধিক ছেলের মেয়ে থাকবে।
রেসিডুইয়ারী বা আসাবা যখন কোন সন্তান থাকবে না কিংবা ছেলের কোন সন্তান থাকবে না।
দাদা ১/৬ যখন কোন সন্তান থাকবে কিংবা ছেলের কোন সন্তান থাকবে কিন্তু পিতা থাকবে না এবং নিকটস্থ কোন দাদা থাকবে না।
১/৬ এবং রেসিডুয়ারী বা আসাবা যখন কোন ছেলে থাকবে না কিংবা ছেলের কোন ছেলে থাকবে না, কিন্তু এক বা একাধিক মেয়ে থাকবে বা এক বা একাধিক ছেলের মেয়ে থাকবে এবং   পিতা ও নিকটস্থ কোন দাদা থাকবে না।
রেসিডুয়ারী বা আসাবা যখন কোন সন্তান থাকবে না কিংবা ছেলের কোন সন্তান থাকবে না এবং পিতা ও নিকটস্থ কোন দাদা থাকবে না।
মা ১/৬ যখন সন্তান বা পুত্রের সন্তান থাকবে বা দুই বা ততোধিক ভাই বোন থাকবে।
১/৩ যখন কোন সন্তান থাকবে না কিংবা ছেলের কোন সন্তান থাকবে না বা ভাই বোনের সংখ্যা একের অধিক নয়।
স্বামী বা স্ত্রীকে দেওয়ার পর বাকী সম্পত্তির ১/৩ যখন পিতা এবং স্বামী বা স্ত্রী জীবিত তখন স্বামী বা স্ত্রীকে দেওয়ার পর বাকী সম্পত্তির ১/৩
দাদী ১/৬ মা থাকবে না।
বিঃদ্রঃ যখন পিতা সম্পত্তি পাবে তখন দাদী সম্পত্তি পাবে না, তা চলে যাবে নানির কাছে।
কন্যা একজন হলে ১/২;একাধিক হলে ২/৩(প্রত্যেকে সমান ভাগ পাবে) পুত্র থাকবে না।
পুত্রের কন্যা একজন হলে ১/২;একাধিক হলে ২/৩(প্রত্যেকে সমান ভাগ পাবে) পুত্র, কন্যা এবং পুত্রের পুত্র থাকবে না।
ব্যতিক্রমঃ যদি কেবল একমাত্র কন্যা থাকে, তবে পুত্রের কন্যা (২/৩-১/২) ১/৬ অংশ পাবে।
আপন বোন একজন হলে ১/২;একাধিক হলে ২/৩(প্রত্যেকে সমান ভাগ পাবে) পুত্র, কন্যা, পুত্রের পুত্র, পুত্রের কন্যা, আপন ভাই, পিতা কেউই থাকবে না।
বৈমাত্রেয় বোন একজন হলে ১/২;একাধিক হলে ২/৩(প্রত্যেকে সমান ভাগ পাবে) পুত্র, কন্যা, পুত্রের পুত্র, পুত্রের কন্যা, আপন ভাই, আপন বোন, বৈমাত্রেয় ভাই, পিতা কেউই থাকবে না।
ব্যতিক্রমঃ যদি কেবল একমাত্র আপন বোন থাকে, তবে বৈমাত্রেয় বোন (২/৩-১/২) ১/৬ অংশ পাবে।
বৈপিত্রেয় ভাই একজন হলে ১/৬;একাধিক হলে ১/৩(প্রত্যেকে সমান ভাগ পাবে) পিতা থেকে উপরে পূর্বপুরুষ কেউই থাকবে না এবং সন্তান থেকে উত্তরসূরি কেউই থাকবে না।
বৈপিত্রেয় বোন একজন হলে ১/৬;একাধিক হলে ১/৩(প্রত্যেকে সমান ভাগ পাবে) পিতা থেকে উপরে পূর্বপুরুষ কেউই থাকবে না এবং সন্তান থেকে উত্তরসূরি কেউই থাকবে না।

উপরিউক্ত প্রত্যেকটি সম্পর্কই (পিতা, মা, ভাই, বোন, স্বামী, স্ত্রী) মৃত্যু ব্যক্তির সম্পর্কিত। উপরিউক্ত শেয়ারের চার্ট অনুসারে সম্পত্তি বণ্টনের পর অবশিষ্ট সম্পত্তিকে রেসিডুয়ারী বা আসাবা সম্পত্তি বলে। রেসিডুয়ারী বা আসাবা সম্পত্তি নিম্নক্ত লিস্ট অনুসারে বণ্টন করা হবে। নিম্নে রেসিডুয়ারী বা আসাবার চার্ট উল্লেখ্যঃ

রেসিডুয়ারী বা আসাবার চার্ট

বংশধর যারা পাবেন
নিজের বংশধর পুত্রপুত্রের পুত্র
পূর্ববর্তী বংশধর পিতাদাদা
পিতার বংশধর ভাইবোনবৈমাত্রেয় বোনবৈমাত্রেয় ভাইভাইয়ের ছেলেবৈমাত্রেয় ভাইয়ের ছেলেবৈমাত্রেয় ভাইয়ের ছেলের ছেলেভাইয়ের ছেলের ছেলে
দাদার বংশধর চাচাবৈমাত্রেয় চাচাচাচার ছেলেবৈমাত্রেয় চাচার ছেলেচাচার ছেলের ছেলেবৈমাত্রেয় চাচার ছেলের ছেলেআরো দূরবর্তী বংশধর।
Print Friendly, PDF & Email

You may also like...

  • সম্পত্তি বন্টনের সহজ হিসেব, আর কিছু কাজে লাগুক আর না লাগুক, এটা প্রতিটি মুসলমানের কাজে লাগবেই..

  • Tanvir Devdas

    Hello sir, this is my property. Without any permission, how you did that. My this article published also in daily newspaper and also in my blog. Why you just copy paste in your site without taking any permission ???
    http://chowdhurytanvir.blogspot.com/2013/11/blog-post_980.html

    • Dear Tanvir,
      Thank you for your concern, this is posted by one of our author as you can see his name. He might forget to put your name there. as I’m maintaining this site what do you want me to to do?
      remove it or republish it with your name?

      Please note this website is only for educational purpose, your permission would be very much appreciated, and would help many people.
      I would like to request your permission to publish it under your name.
      I would also like to invite you to wright here.

      Please let me know your decision.
      Thank you.

      • Tanvir Devdas

        Thank you for your reply. First of all, I had the permission if just asked me for a single time. Still I am permitting because awareness of law is very important in our country. But, please maintain the copyright and respect the each and every author. But your intention is good to me. So, you can use my articles but condition is please use my name(Chowdhury Tanbir Ahamed Siddique), email(tanvir921535513@gmail.com) and my blog(chowdhurytanvir.blogspot.com). Feel free to contact with me about any legal task.
        Thanks, Mr. Rayan Islam.

        • Dear Sir, This website is actually knowledge sharing platform for all but I don’t encourage to steal articles. all the authors are permitted to share their new finding but with the original link or mention.
          Sometimes In my case I find some very beautiful articles in several place without being sure who is the original author and those articles are published under a separate user mentioning the circumstances.
          I don’t know whether the same thing happend to Jony Ahmend or not, usually he shares the origin if the article is coped.
          Anyway, I believe you read our about page and understand our goal.

          Thank you for trusting us and being kind on us.

          Creating your account now
          Soon this article’ll be transfers under your (author) account.
          please let me know if there is any other article of yours in this site.

          I would be great and readers would find you more quickly if you publish your articles in this website.

          I am requesting you to write here and help others to understand law easily

          Thank you

          Regards,
          Rayhanul Islam

  • Asif Saqlain

    বিদেশী মুসলিম নাগরিক কি বাংলাদেশে তার পিতার ত্যাজ্য (স্থাবর-অস্থাবর) সম্পত্তিতে অংশ পাবেন ?

    • মুসলিম আইন অনুযায়ী সন্তানকে ত্যাজ্য করা যায় না। তাই স্বভাবিক ভাবেই সম্পত্তি পাবে।

    • সে যদি মুসলিম নাগরিক হয় তবে মুললিম আইন অনুযায়ী পাবে, আর মুসলিম আইনে ত্যাজ্য করার নিয়ম নেই, তাই যথাযথ ভাবেই পাবে। ধণ্যবাদ।

  • Prince Khandokar

    paribarik kono karon bosot jodi ma chae tar chele k tejjo korbe tahole ki putro sompoder kono ongso pete pare / othoba dabi korte pare?

    • সে যদি মুসলিম নাগরিক হয় তবে মুললিম আইন অনুযায়ী পাবে, আর মুসলিম আইনে ত্যাজ্য করার নিয়ম নেই, তাই যথাযথ ভাবেই পাবে। ধণ্যবাদ।

      • Prince Khandokar

        sompotti mar , babar na, taholeo ki dabi kora jabe?

        • সমস্যা নেই একই আইন প্রয়োগ হবে।

          • Prince Khandokar

            vhai apnake onek onek dhonnowbad, khub mullowban kichu tottho deye help korar jonnow,
            amar arekta prosno chilo jidi ma tar cheleke shob kichur theke bonchito korar udesse tar mey er name shob kichui likhe dete chae than shai khatre ki putrer kichu koronio thake othoba tar kichu pawar ki kono chance thake?

  • zakir hossain

    মার নামের সম্পত্তি ১ ছেলে এবং ২ মেয়ের মধ্যে কিভাবে বণ্টন হবে ?

error: Content is protected !!