জেনে নিন,গ্রেফতার হলে আপনার অধিকার বা করনীয়

অ্যাডভোকেট তানভির :: সমগ্র দেশ ব্যাপী চলছে ধরপাকড়, তল্লাশি, গ্রেফতার।আপনার বন্ধু -বান্ধব, আত্মীয় –স্বজন ,পাড়া প্রতিবেশী এমনকি আপনি নিজেও যে কোন মূহুর্তে এই পরিস্থিতির স্বীকার হতে পারেন ।যদি এরকমটা হয়েই যায় তাহলে একটু সতর্ক হউন ।আতঙকিত না হয়ে স্থির থেকে পরিস্থিতি বুঝতে চেস্টা করুন । আর ঘটনা বুঝে সঠিক সিদ্ধান্ত তথা প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিন। পরিস্থিতি যাই হোক না কেন মনোবল হারাবেন না । সব সময় আত্মবিশ্বাস ধরে রাখবেন।

দেখবেন সমাধানটা হয়তোবা পেয়ে যাবেন নিজের বুদ্ধিতে। আপনার যেকোনো সিদ্ধান্ত নেওয়ার পাশাপাশি নিম্নোক্ত বিষয় খেয়াল রাখবেন ; পুলিশ আটক করলে আপনার যা করণীয় আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী যদি কোন
ব্যক্তিকে আটক বা গ্রেফতার করলে বা সেন্দেহজনকভাবে আটক করা হয়।তবে অভিযোগ ছাড়া কাউকে অনির্দিষ্টকাল আটক করে রাখতে পারে না পুলিশ। ২৪ ঘন্টার মধ্যে তাকে ছেড়ে দিতে হয় বা কোন আইনের আওতায় তাকে গ্রেফতার দেখাতে হয় এবং কোন ম্যাজিস্ট্রেটের
আদালতে হাজির করতে হয়।

তবে এ ক্ষেত্রে ম্যাজিস্ট্রেট প্রয়োজনে আটকাদেশ দিতে পারেন। পুলিশ গ্রেফতার করলে করণীয়: পুলিশের নিকট নাম, ঠিকানা ও পেশাসহ পরিচয় তুলে ধরতে হবে।পেশজীবি বা ছাত্র হলে পরিচয়পত্র প্রদর্শন করা যেতে পারে। একারণে সবসময় পরিচয় পএ সাথে রাখা উচিত। এ ধরনের পরিস্থিতির জন্য প্রস্তুতির অংশ হিসেবে পরিচিত আইনজীবির ফোন নম্বর সাথে রাখা যেতে পারে এবং গ্রেফতারের পর দ্রুত আইনজীবিকে বিষটি জানিয়ে দেয়ার চেষ্টা করা উচিত।

অন্তত আত্মীয় বা বন্ধুকে বিষয়টি জানানোর চেষ্টা করা যেতে পারে।নিয়ম অনুযায়ে কাউকে পুলিশ আটক করলে সাধারণত ওই ব্যক্তিকে সংশ্লিষ্ট থানায় নেয়া হয়।এক্ষেত্রে যদি ডিবি আটক করে ডিবি অফিসে নেয়া হয়।গ্রেফতারের পর কাউকে লকআপে রাখার আগে তার বিভিন্ন জিনিসপত্র যেমন, কাগজ, মোবাইল ফোন,টাকা-পয়সা ও ক্রেডিট কার্ড ইত্যাদি থাকলে তার কাছ থেকে নিয়ে নেয়া হয়।তবে সংশ্লিষ্ট পুলিশ অফিসার সেগুলোর একটি তালিকা তৈরী করে আটককৃত ব্যক্তির সাক্ষরনেয়। এই সাক্ষর দেবার সময় তালিকাটি পড়ে নেয় উচিত। পুলিশ অফিসারের নিকট কোন বিবৃতি দিলে তা পাঠ করে বা বিবৃতির ভাষ্য অবগত হয়ে তাতে স্বাক্ষর করা উচিত।

গ্রেফতারের পর আইনজীবী বা পরিবারের কাউকে গ্রেফতারের বিষয়টি জানাতে না পারলে আদালতে হাজির করার পর ম্যাজিস্ট্রেটকে এ ব্যাপারে সরাসরি বিষয়টি জানানো উচিত। এতে আইনি সহায়তা পাওয়ার সুযোগ সৃষ্টি হয়। গ্রেফতারের পর কোন পর্যায়ে নির্যাতনের শিকার হলে বা অসুস্থ হলে আদালতের মাধ্যমে বা নিজ উদ্যোগে মেডিকেল চেকআপ করিয়ে নিতে নেয়া যায়।

চেকআপ করালে এ রিপোর্টটি সংগ্রহে রাখা উচিত।চেকআপকারী ডাক্তারের পরিচয় জেনে রাখা উচিত কারণ তা পরবর্তীতে প্রয়োজন হতে পারে।পুরনো কোন মামলায় গ্রেফতার হলে দ্রুত ঐ মামলার নম্বরসহ কাগজপত্র নিয়ে আদালতে গিয়ে জামিন শুনানীর চেষ্টা করা যেতে পারে।নতুন কোন মামলায় বা কার্যবিধির ৫৪ ধারায় গ্রেফতার হলে একজন আইনজীবীর সঙ্গে পরামর্শক্রমে এক্ষেত্রে জামিন শুনানীর চেষ্টা করা যেতে পারে।

Law Help Bangladesh

This is a common profile to post random articles form net and other sources, generally we provide original author’s information if found, but some times we might miss.
Please inform us if we missed any or if you are aggrieved on any post, we will remove or re-post it with your permission.

You may also like...

error: Content is protected !!
%d bloggers like this: