শিশুর প্রতি পুলিশ অফিসারের দায়িত্ব ও কর্তব্য

পুলিশ যখন কোন ঘটনা স্থলে পৌছায় অথবা শিশু যখন থানায় আসে তখন পুলিশ শিশুর সাথে কথা বলে বোঝার
চেষ্টা করবেনঃ ১/ শিশুটির কি চিকিৎসার প্রযোজন রয়েছে? ২/ শিশুটি কি সম্ভাব্য ঝুকির মধ্যে আছে। শিশুটির বিশ্বাস ও সম্মান অর্জন করুন, তাকে আশ্বস্ত করতে হবে যে সে এখানে নিরাপদ। শিশুটির মানসিক অবস্থা অনুধাবন করার পর যথাযথ প্রক্রিয়া অনুসরন করে শিশুটির সাক্ষাৎকার গ্রহণ করুন। সবসময় ইতিবাচক মনোভাব অবলম্বন করুন এবং শিশুর সাথে বন্ধুসুলভ আচরন করুন। শিশুর পিতা মাতা / অভিভাবককে খবর দিন, প্রযোজনানুসারে আপনার থানায় অবস্থানকারী সোসাল ওয়ার্কারের সহায়তা নিন। শিশুকে গ্রেফতারের পর যে থানায় তাহাকে আনা হয় সেই থানার
ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা অবিলম্বে শিশুর পিতা-মাতা বা অভিভাবককে, যদি তাহাকে খুজিয়া পাওয়া যায় এইরূপ গ্রেফতার সর্ম্পকে অবহিত করবেন।(ধারা-১৩/২)

কোন শিশুকে গ্রেফতারের পর অবিলম্বে তাহা প্রবেশন অফিসারকে অবহিত করা পুলিশ অফিসারের কর্তব্য এবং উক্ত শিশুর পূর্ব পরিচয় এবং পারিবারিক ইতিহাস এবং অন্যান্য গুরুত্বপূর্ন পারিপার্শ্বিক অবস্থা সম্পর্কে তথ্য সংগ্রহের জন্য অবিলম্বে উদ্যোগ গ্রহণে প্রবেশন অফিসারকে সহায়তা করতে হবে। (ধারা-৫০)

আইন অনুসারে দোষী সাব্যস্ত না হওয়া পর্যন্ত নির্দোষ হিসেবে বিবেচিত হবে। শিশুটিকে হ্যান্ডকাফ কিংবা তার কোমরে দড়ি বাধা যাবে না। যাহার হেফাজতে, দায়িত্ব বা তত্ত্বাবধানে কোন শিশু রহিয়াছে এইরূপ কোন ১৬ বৎসরের উপর বয়স্ক ব্যক্তি যদি অনুরূপ শিশুকে এইরূপ পহ্নায় আক্রমন, উৎপীড়ন, অবহেলা বর্জন অথবা অরক্ষিত হালে পরিত্যাগ করে অথবা করায় যা দ্বারা শিশুটির অহেতুক দুর্ভোগ হয় কিংবা তাহার স্বাস্থ্যের ক্ষতি হয় এবং কোন মানসিক বিকৃতি ঘটে তাহা হইলে উক্ত ব্যক্তি এ অপরাধে দন্ডনীয় হইবে। (ধারা-৩৪)

যেক্ষেত্রে আপতঃদৃষ্টিতে ১৬ বৎসরের কম বয়স্ক কোন ব্যক্তিকে জামিনের অযোগ্য অপরাধের দায়ে গ্রেফতার করা হয় এবং অবিলম্বে আদালতে হাজির করা যায় না, সেক্ষেত্রে পর্যাপ্ত জামানত পাওয়া গেলে, শিশুটি যে থানায় আনীত হইয়াছে সেই থানার ভারপ্রাপ্তকর্মকর্তা, তাকে জামিনে খালাস দিতে পারেন। (ধারা-৪৮)

শিশুটির অধিকার সম্পর্কে তাকে অবহিত করতে হবে। শিশুকে আত্মপক্ষ সমর্থনের জন্য আইনগত ও অন্যান্য প্রয়োজনীয় সহায়তা দিতে হবে। গ্রেফতার হওয়ার চবিবশ ঘন্টার মধ্যে শিশুটিকে আদালতের সামনে উপস্থিত করতে হবে। শিশুর বয়স বিবেচনায় রাখতে হবে। শিশুদের পুর্ণবয়স্কদের থেকে পৃথক রাখা উচিৎ। (ধারা ৬, ৫১/২) যতদুর সম্ভব প্রচলিত বিচার প্রক্রিয়া বর্জন করে ভিন্ন পথে চালিতকরণ উৎসাহিত করতে হবে। শিশুর সর্বেত্তম স্বার্থ প্রধান বিবেচনায় রাখতে হবে। সমাজে পুনর্বাসনের লক্ষ্যে ব্যবস্থা নিতে হবে।

Collected

Law Help Bangladesh

This is a common profile to post random articles form net and other sources, generally we provide original author’s information if found, but some times we might miss.
Please inform us if we missed any or if you are aggrieved on any post, we will remove or re-post it with your permission.

You may also like...

error: Content is protected !!