সময় গণনার পদ্ধতি | 04

সময় গণনার পদ্ধতি | 04
Limitation Act, 1908 Section: 12, 13, 14, 15 | তামাদি আইন, ১৯০৮ ধারা: ১২, ১৩, ১৪, ১৫

আইনি প্রক্রিয়ার সময় বাদ দেওয়া (ধারা ১২)

১) কোন মামলা, আপিল বা আবেদনের জন্য যে সময়সীমা দেওয়া থাকবে, সেই সময়সীমা যেদিন থেকে গণনা করা হবে সেই দিনটি বাদ যাবে। সহজে বললে Couse of action এর দিনটি ( সেদিন থেকে সময় গণনা সুরু হবে) বাদ যাবে, অর্থাৎ জানুয়ারির ১ তারিখে ঘটনাটি ঘটলে তার পরের দিন ২ তারিখ থেকে সময় গণনা সুরু হবে।

২) কোন আপিল, আপিলের জন্য আবেদন, রায় পুনর্বিচারের জন্য আবেদনের ক্ষেত্রে সময় গণনার জন্য যেদিন রায়টি ঘোষণা করা হয়েছিল এবং ডিক্রির অনুলিপি বা দণ্ডাদেশ বা যে আদেশের বিরুদ্ধে পুনর্বিবেচনা করার জন্য আবেদন করা হয়েছিল তা হাতে পাওয়ার জন্য যে সময় লাগবে তা বাদ যাবে।

৩) যখন কোন ডিক্রি থেকে আপিলের জন্য আবেদন করা হবে বা রিভিউয়ের জন্য আবেদন করা হবে। যে রায়ের উপর ভিত্তি করে তা করা হবে সেই রায়ের কপি হাতে পাওয়ার জন্য যেই সময় লাগবে তা বাদ দিতে হবে।

৪) কোন রায় (award) বাতিলের জন্য আবেদনের জন্য সেই রায়ের অনুলিপি পাওয়ার জন্য যে সময় লাগবে তা বাদ যাবে।

বিবাদী যদি বাংলাদেশের বাইরে থাকে তবে সেই সময় বাদ যাবে। (ধারা ১৩)

কোন মামলা করার নির্ধারিত সময়ের মধ্যে যদি বিবাদী বাংলাদেশের বাইরে থাকে, সেই সময়টি বাদ যাবে।

সরল বিশ্বাসে চলমান বিচারিক প্রক্রিয়া যার কিনা আসলে বিচারিক ক্ষমতা ছিল না, সেই সময়টি বাদ যাবে। (ধারা ১৪)

ধারাটিকে আমরা একটু ভেঙ্গে দেখলে বুঝতে সুবিধা হবে।
এ ধারায় বলা হয়েছে যদি কোন মামলার জন্য দেওয়া প্রদত্ত সময়ের মধ্যে বাদী ও বিবাদীর মধ্যে, একই বিষয় নিয়ে সরল বিশ্বাসে অন্য কোন আদালতে দেওয়ানি মামলা পরিচালিত হয় (প্রথম মামলা বা আপিল) এবং যে আদালতে মামলাটি (প্রথম) করা হয় তার বিচারিক এক্তিয়ারের বাইরে হওয়া বা এমন ধরনের অন্য কোন কারণে সে বিচার করতে পারে না।

তবে নিচের বিষয়গুলো মিলতে হবে
ক. দেওয়ানি মামলা হতে হবে
খ. প্রথম মামলাটি সরল বিশ্বাসে এবং যথাযথ ভাবে করতে হবে
গ. দুটি মামলার ক্ষেত্রে একই পক্ষ থাকতে হবে
ঘ. একই বিষয় ও একঐ ঘটনা হতে হবে
ঙ. আগের মামলায় আদালতের এক্তিয়ার বা এমন ধরনের কোন সমস্যার কারণে আদালত শেষ পর্যন্ত বিচার করা থেকে বিরত থাকতে হবে।
চ. দুই মামলায় একই ধারণের কার্যক্রম বজায় রাখতে হবে।
ছ. একই বিচার (relief) চাইতে হবে

এমন মামলার ক্ষেত্রে

১. যেদিন প্রথম মামলাটি করা হয়েছিল এবং যেদিন সেই মামলাটি শেষ হয়েছিল এর মধ্যবর্তী সময় বাদ যাবে।
২. ভুল পক্ষ যোগ বা সঠিক পক্ষ যোগ না করা (misjoinder) বিচারিক এক্তিয়ারের বাইরে ধরনের ত্রুটি হিসেবে ধারা হবে।

আইনি অযোগ্যতা এবং সময় গণনা | 03

প্রতারণা, স্বীকারোক্তি ইত্যাদির প্রভাব | 05

 

Print Friendly, PDF & Email

Rayhanul Islam

The author is an original thinker; often challenges the regular rule of conduct considering various perspective on the basis of scientific reasoning to ensure the peace and prosperity of the society. He works as freelancer advocate and promote legal knowledge and human right concept to the root level. The author is also a tech enthusiast and web developer, he loves psychology as well.

You may also like...

error: Content is protected !!